
ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে পাল্টা সামরিক অভিযান জোরদার করেছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দেশটির সরকারি বাহিনী। এরই মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা পুনর্দখলের দাবি করেছে তারা। একই সঙ্গে বাব আল-মান্দেব প্রণালীর কাছে হুতিদের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলো নিয়ন্ত্রণে নিতে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে সরকারি বাহিনী।
ইয়েমেনে এই সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রয়োজন হলে দ্রুত সেনা মোতায়েনে সম্মত হয়েছে দেশ দুটি। মক্কা ও মদিনাকে ঘিরে হুতিদের হুমকি বাড়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালীতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত কোনো বস্তু আঘাত করার পর ইঞ্জিনকক্ষে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে জাহাজটির কর্মীরা কাজ করছেন। তবে ট্যাংকারটিতে হামলা হয়ে থাকলে এর জন্য কারা দায়ী, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে এখন আলোচনা করে কোনো লাভ নেই। তাঁর অভিযোগ, আলোচনার সময়ই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ কারণে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তেহরান।
ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনীর অভিযান, সৌদি আরবের নিরাপত্তায় তুরস্ক ও পাকিস্তানের নতুন সামরিক সহযোগিতা এবং হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী ট্যাংকারে আগুনের ঘটনা ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।



